Service Details

Service Details

Customs Advisory

Description

কাস্টমস সংক্রান্ত সেবাসমূহ

আমাদের লক্ষ্যমাত্রা

আমরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের সকল প্রকার করদাতার জন্য সংরক্ষিত ও গোপনীয় সেবা প্রদান করি, যাতে তারা নিরবচ্ছিন্নভাবে ব্যবসা কার্যক্রমের সাথে স্বাভাবিকভাবে হতে সক্ষম হন। আমাদের পেশাদার দক্ষতা, স্বচ্ছতা কার্যপদ্ধতি এবং নিরবচ্ছিন্ন সেবার মাধ্যমে আমরা ভ্যাট, কাস্টমস ও আয়কর সংক্রান্ত বিষয়ে করদাতাদের যথাযথ দিকনির্দেশনা, কর সংক্রান্ত যেকোনো জটিলতায় যথাযথ সমাধান এবং পূর্ণাঙ্গ সহায়তা প্রদান করি।

আমরা কর পরিকল্পনা, পরিপালন (কমপ্লায়েন্স) ও পরামর্শ সেবায় বিশেষত্ব সহায়তার মাধ্যমে আর্থিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে এবং প্রযোজ্য সকল আইন ও বিধিবিধান যথাযথভাবে অনুসরণ নিশ্চিত করতে সহায়তা করি। আমাদের লক্ষ্য হলো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিপর্যায়ে কর সংক্রান্ত ঝুঁকি হ্রাস করা, জরিমানা এড়ানো এবং সর্বোচ্চ আর্থিক দক্ষতা বৃদ্ধি করা।


সেবাসমূহের বিস্তারিত বিবরণ

  • আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম: আমাদের আন্তর্জাতিক ব্যবসা বাণিজ্য ব্যবস্থাপনায় জড়িত। শিল্পের কাঁচামাল ও ক্যাপিটাল মেশিনারিজ আমদানিতে আমরা নির্ভর। এছাড়া, বিপুল পরিমাণ ভোগ্যপণ্য আমদানি করতে হয়। আন্তর্জাতিকসহ বিভিন্ন পণ্য বিদেশে রপ্তানি হয়। আমদানি ও রপ্তানি নীতি আদেশ অনুসরণ করে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
  • পণ্যোর শ্রেণিবিভাগ: আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে পণ্যের যথাযথ শ্রেণিবিভাগ বা ক্লাসিফিকেশন (এইচ.এস. কোড) নির্ধারণ এর ওপর নির্ভর করে সঠিক শুল্ক-করের পরিমাণ। এক্ষেত্রে ভুলের কারণে ব্যবসায়ী এবং সরকার উভয় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অনেক সময় ভুল এইচ.এস. কোডের কারণে শুল্ক-কর ফাঁকির অভিযোগ উত্থাপিত হয় এবং বিবিধ জরিমানা সম্মুখীন হওয়ার ক্ষেত্র তৈরি হয়। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান;
  • বন্ড সুবিধা: কাস্টমস ব্যবস্থাপনায় বন্ড লাইসেন্স এর আওতায় বিনা শুল্ক-করে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সম্পাদনের সুযোগ রয়েছে। বন্ড লাইসেন্স প্রাপ্তির ক্ষেত্রে করণীয় এবং এক্ষেত্রে বিদ্যমান শর্ত প্রতিপালনে আইনানুগ পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
  • AEO (Authorized Economic Operator): AEO এর লাইসেন্সপ্রাপ্ত আমদানি-রপ্তানিকারক কোনো প্রকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া বা স্বল্প পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন। এ সম্পর্কিত বিধি-বিধানের আলোকে AEO সার্টিফিকেশনপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে করণীয় বিষয়ে পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;

  • ব্যাংক গ্যারান্টি ফেরত বা রিলিজকরণ: আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে পণ্যের শ্রেণিবিভাগ, বিবরণ, পরিমাণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে আমদানিকারক ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের মধ্যে ভিন্নমত সৃষ্টি হওয়ার কারণে সাময়িকভাবে অর্থ নির্ধারণে ব্যাংক গ্যারান্টি দাখিল করে পণ্য ছাড় করা হয়। আবার অনেক ক্ষেত্রে মূল্যসর্তঃ বা মূল্য যাচাইয়ের কারণে অতিরিক্ত শুল্ক-কর আরোপিত হতে পারে। এসব ক্ষেত্র ব্যাংক গ্যারান্টি সংশ্লিষ্ট ইস্যুটি আমদানিকারকের অনুকূলে নিষ্পত্তি হলে জমাকৃত ব্যাংক গ্যারান্টি এবং ক্ষেত্র বিশেষে অতিরিক্ত আরোপিত অর্থ ফেরত পাওয়া আমদানিকারকের একটি ন্যায়সঙ্গত অধিকার। এক্ষেত্রে আইনানুগ পরামর্শ প্রদান;
  • উদ্ভূত জটিলতা নিরসন: অসাবধানতাবশত বা ভুলবশত বা অন্য কোনো কারণে কাস্টমস আইন এর কোনো বিধান লঙ্ঘিত হলে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আটক বা শুল্ক ফাঁকির মামলা দায়ের করতে পারে। এক্ষেত্রে উদ্ভূত মামলার জাস্টিফাইড কারণ দর্শানো নোটিশ এর জবাব প্রস্তুত, শুনানিতে অংশগ্রহণ, মামলা নিষ্পত্তি এবং ক্ষেত্রমতে, আপিল মামলা দায়ের ও নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনি সহযোগিতা প্রদান;
  • প্রশিক্ষণ: কাস্টমস ব্যবস্থাপনা একটি টেকনিক্যাল বিষয়। এ ব্যবস্থা সম্পর্কে সম্যক ধারণা না থাকায় আমদানি-রপ্তানিকারক অহেতুক ঝামেলা ও ভোগান্তির শিকার হন। এজন্য এ্যাসোস কর্তৃপক্ষ কাস্টমস বিষয়ক বিভিন্ন ইস্যুতে অফলাইন/অনলাইন প্রশিক্ষণ ও সেমিনার এর আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন কোম্পানির চাহিদার প্রেক্ষিতে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সুনির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর প্র্যাক্টিক্যাল প্রশিক্ষণেরও আয়োজন করা হয়ে থাকে;
  • নীতি বিষয়ক: কাস্টমস আইন ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিধান এবং তৎপ্রেক্ষিতে প্রণীত প্রজ্ঞাপন, বিশেষ আদেশ, সাধারণ আদেশ বা ব্যাখ্যাপত্রের বিষয়ে নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তির ন্যায়্যতা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের বরাবর যোগাযোগ, লিয়াজোঁ পত্র প্রস্তুত, উপস্থাপন এবং সৃষ্ট ইস্যুর যৌক্তিক সমাধানে যাবতীয় আইনানুগ পলিসি সহায়তা প্রদান।