Service Details

Service Details

VAT Consultancy

Description

ভ্যাট সংক্রান্ত সেবাসমূহ

আমাদের অঙ্গীকার

আমরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের সকল প্রকার করদাতার জন্য সংরক্ষিত ও গোপনীয় সেবা প্রদান করি, যাতে তারা নিরবচ্ছিন্নভাবে ব্যবসা কার্যক্রমের সাথে স্বাভাবিকভাবে হতে সক্ষম হন। আমাদের পেশাদার দক্ষতা, স্বচ্ছতা কার্যপদ্ধতি এবং নিরবচ্ছিন্ন সেবার মাধ্যমে আমরা ভ্যাট, কাস্টমস ও আয়কর সংক্রান্ত বিষয়ে করদাতাদের যথাযথ দিকনির্দেশনা, কর সংক্রান্ত যেকোনো জটিলতায় যথাযথ সমাধান এবং পূর্ণাঙ্গ সহায়তা প্রদান করি।

আমরা কর পরিকল্পনা, পরিপালন (কমপ্লায়েন্স) ও পরামর্শ সেবায় বিশেষত্ব সহায়তার মাধ্যমে আর্থিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে এবং প্রযোজ্য সকল আইন ও বিধিবিধান যথাযথভাবে অনুসরণ নিশ্চিত করতে সহায়তা করি। আমাদের লক্ষ্য হলো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিপর্যায়ে কর সংক্রান্ত ঝুঁকি হ্রাস করা, জরিমানা এড়ানো এবং সর্বোচ্চ আর্থিক দক্ষতা বৃদ্ধি করা।

সেবাসমূহের বিস্তারিত বিবরণ

  • নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তি: ভ্যাটের আওতায় নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্তির জন্য বিদ্যমান বিধান ও করণীয় কি এবং কিভাবে নিবন্ধনপত্র বা তালিকাভুক্তি গ্রহণ করতে হবে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান;
  • হিসাব সংরক্ষণ: ভ্যাট একটি আধুনিক, হিসাব ও নিরীক্ষাভিত্তিক কর ব্যবস্থা। নির্ধারিত ফরমেটে ব্যবসায়িক কার্যক্রমের লেনদেন হিসাবভুক্ত করার আবশ্যকতা রয়েছে। যথাযথ পদ্ধতিতে হিসাব সংরক্ষণের অভাবে অনেক ক্ষেত্রে বিশাল অংকের জরিমানা বা অর্থদণ্ডের সম্মুখীন হতে হয়। নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তির ক্রয়, উৎপাদন, বিক্রয়/সরবরাহ এবং বিভিন্ন সমন্বয়সহ যাবতীয় হিসাবপুস্তক প্রণয়ন ও সংরক্ষণে সহায়তা প্রদান;
  • দাখিলপত্র বা রিটার্ন প্রদান: ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানকে প্রতি ইংরেজি মাসের জন্য এবং টার্নওভারের আওতায় তালিকাভুক্ত ব্যক্তিকে প্রতি ইংরেজি তিন মাস অন্তর নির্ধারিত ফরমেটে ভ্যাট কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিলপত্র বা রিটার্ন দাখিলের বিধান বিদ্যমান। রিটার্ন প্রদানে ভুল হলে ব্যবসায়ীর আর্থিক ক্ষতি সাধিত হতে পারে। এছাড়া, রিটার্ন যথাসময়ে দাখিল না করা হলে জরিমানা আরোপ করা হয়ে থাকে। নিবন্ধিত/তালিকাভুক্ত ব্যক্তির রিটার্ন প্রস্তুত ও ভ্যাট কর্তৃপক্ষের বরাবর দাখিলে সহায়তাকরণ;
  • উৎস কর্তন ও সমন্বয়: নির্দিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পণ্য বা সেবার সরবরাহগ্রহণের ক্ষেত্রে মূল্য পরিশোধের সময় প্রযোজ্য ভ্যাট উৎস কর্তন করে রিটার্নে সমন্বয় বা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে ফরম মুসক-৬.৬ এ একটি প্রত্যয়নপত্র ইস্যু করে ভ্যাট কর্তৃপক্ষ ও সরবরাহকারীকে অবহিত করার বিধান রয়েছে। এক্ষেত্রে ভ্যাট উৎস কর্তন, সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান ও যথাসময়ে সমন্বয়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান;
  • উপকরণ কর রেয়াত সমন্বয়: মূল্য সংযোজন কর পণ্যের উপর কর পরিহার করে। উপকরণের উপর পরিশোধিত মুসক প্রদেয় করের বিপরীতে সমন্বয়ের বিধান রয়েছে। এ বিষয়ে না জানার কারণে ব্যবসায়ীরা অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হন। ব্যবসায়ীর সকল ব্যয়ের খাতগুলি পর্যালোচনা করে উপকরণ কর রেয়াত গ্রহণের ক্ষেত্র চিহ্নিতকরণ ও উপকরণ কর নিরূপণ সাথে সংশ্লিষ্ট দলিলাদি সংরক্ষণ ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমন্বয় করার জন্য পরামর্শ প্রদান;
  • কর ফেরত: উপকরণ কর রেয়াত এবং হ্রাসকারী সমন্বয়ের সমষ্টির পরিমাণ প্রদেয় কর ও বৃদ্ধিকারী সমন্বয়ের যোগফলের চেয়ে বড় হলে নেগেটিভ নীট ট্যাক্স সৃষ্টি। তাছাড়া ভুলক্রমে অধিক মুসক পরিশোধিত হতে পারে। এক্ষেত্রে ফেরতের বিধান রয়েছে। ভ্যাট ফেরতের জন্য আবেদনপত্র প্রস্তুত ও দাখিলকরণ এবং ভ্যাট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে ফেরতের বিষয়টি ত্বরান্বিতকরণ;
  • পরিপালন ঝুঁকি শনাক্তকরণ: ব্যাপক পর্যালোচনা ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট সংক্রান্ত বিদ্যমান জটিল পরিপালন বাধ্যবাধকতায় সম্ভাব্য ঝুঁকির ক্ষেত্র শনাক্ত করে তা উত্তরণ এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে সুসংহত করে আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে সুরক্ষিত রাখতে পরামর্শ প্রদান;
  • নিরীক্ষা সহায়তা: প্রতিষ্ঠানের দলিলাদি, রেকর্ডপত্র সংরক্ষণ পদ্ধতি পর্যালোচনামূলক ভ্যাট নিরীক্ষায় সহায়তা প্রদান এবং ভ্যাট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিরীক্ষা কার্য পরিচালনার সময় টেকনিক্যাল সহায়তা প্রদানের জন্য প্রতিনিধি প্রেরণ। এছাড়া নিরীক্ষা বিষয়ক সম্ভাব্য দুর্বলতাগুলি চিহ্নিত করার নিমিত্ত অনুশীলনমূলক নিরীক্ষা (mock audit) পরিচালনাকরণ;
  • বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি: ভ্যাট নিরূপণ বা আইনের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে ভ্যাট কর্তৃপক্ষের সাথে সৃষ্ট বিতর্ক, মামলা ও আপিল নিষ্পত্তির জন্য সহায়তাকরণ। এ বিষয়ে কর কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে, যাবতীয় জিজ্ঞাসার জবাব প্রদান ও চাহিত দলিলাদি প্রেরণ। তাছাড়া, বিভিন্ন পর্যায়ে (মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ, আপিল কর্তৃপক্ষ, মাননীয় আদালত) আপিল দায়েরের জন্য আরজি/গ্রাউন্ডস প্রণয়ন ও দাখিলকরণ;
  • বিশেষ ভ্যাট ব্যবস্থা: যেসব ক্ষেত্রে অনন্য (unique) ভ্যাট পদ্ধতি প্রণীত হয়েছে যেমন-উৎপাদন, খুচরা, সেবা, ই-কমার্স, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি, সেসব বিশেষ ক্ষেত্রে ভ্যাট পরামর্শ প্রদান;
  • প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা অর্জন: ভ্যাট ব্যবস্থাপনা একটি টেকনিক্যাল বিষয়। এ ব্যবস্থা সম্পর্কে সম্যক ধারণা না থাকায় করদাতাগণ অহেতুক ঝামেলা ও ভোগান্তির শিকার হন। এজন্য এমটিএস কর্তৃক ভ্যাট বিষয়ক বিভিন্ন ইস্যুতে অফলাইন/অনলাইন প্রশিক্ষণ ও সেমিনার এর আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন কোম্পানির চাহিদার প্রেক্ষিতে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সুনির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর প্র্যাক্টিক্যাল প্রশিক্ষণেরও আয়োজন করা হয়ে থাকে। ভ্যাট নীতিমালা, পরিপালন আবশ্যকতা, রেকর্ড-সংরক্ষণ এবং হালনাগাদ বিধি-বিধানের সংশোধন ইত্যাদি বিষয়ে ক্লায়েন্ট স্টাফদের প্রশিক্ষণ প্রদান;
  • নীতিগত সহায়তা: ভ্যাট আইন, বিধিমালা ও তৎপ্রেক্ষিতে প্রণীত প্রজ্ঞাপন, বিশেষ আদেশ, সাধারণ আদেশ বা ব্যাখ্যাপত্রের বিষয়ে নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তির ন্যায়্যতা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের বরাবর যোগাযোগ, লিখিতব্য পত্র প্রস্তুত, সভাকরণ এবং সৃষ্ট ইস্যুর যৌক্তিক সমাধানে যাবতীয় আইনানুগ পলিসি সহায়তা প্রদান। ব্যবসায়ীর চাহিদা শ্রেণীবিন্যাস করে ন্যায়সঙ্গত কর সুবিধা আদায়ের লক্ষ্যে সুনিপুণ ড্রাফট প্রস্তুত, বিস্তৃত দলিলাদি সংযোজন এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে কার্যকর যোগাযোগ স্থাপন করে পলিসি সহায়তা প্রদান;
  • অনলাইন ভ্যাট: ২০১৯ সালের ১ জুলাই হতে বাংলাদেশে প্রবর্তিত ভ্যাট সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক। iVAS ১৬ (ষোল)টি অনলাইন মডিউল রয়েছে। অনলাইনে রিটার্ন দাখিলকরণসহ উক্ত মডিউলসমূহ ব্যবহার বিষয়ে করদাতাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান;
  • উদ্ভূত জটিলতা নিরসন: অসাবধানতাবশত বা ভুলবশত বা অন্য কোনো কারণে ভ্যাট আইন ও বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘিত হলে ভ্যাট কর্তৃপক্ষ অনিয়ম বা আটক বা রাজস্ব ফাঁকির মামলা করতে পারে। জাল-জালিয়াতির জন্য প্রথম শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা হতে পারে। এক্ষেত্রে উদ্ভূত মামলায় জারিকৃত কারণ দর্শানো নোটিশ এর জবাব প্রস্তুত, শুনানিতে অংশগ্রহণ, মামলা নিষ্পত্তি এবং ক্ষেত্রমতে, আপিল মামলা দায়ের ও নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনী সহযোগিতা প্রদান।